ইতিহাস ঐতিহ্য রাজপথের রাজনীতি ত্যাগ তিতিক্ষা প্রতিটি গুণ বিচারে একজন তারেক রহমান নিজেকে যেভাবে প্রস্তুত করেছেন তার বিষয়টি পাঁচটি ধাপে বিন্যাস করা যেতে পারে।
যে নেতা এ পাঁচটি বিষয়ের উপরে ব্যুৎপত্তি অর্জন করেছেন সে নেতাই রাষ্ট্রের গুরু দায়িত্ব গুলি পালন করার জন্য উপযুক্ততার প্রমাণ দিবেন এবং একজন ভালো রাষ্ট্রনায়ক অথবা একজন ভালো মন্ত্রী অথবা ভালো একজন এমপি হিসেবে সমাজে সমাদৃত হবেন।
তারেক রহমানের জন্য যেভাবে পারিবারিক হিসেবে ঐতিহাসিক দায়িত্ব এবং দায় বর্তায় সেক্ষেত্রে তিনি বিভিন্ন পরাশক্তির রাষ্ট্র প্রধানদের সাথে যেভাবে সম্পর্ক রক্ষা করে আওয়ামী ফ্যাসিজমকে একেবারে মূলৎপাটন করার জন্য মাস্টার প্লানার হিসেবে মাস্টারমাইন্ড ধারণ করে আই হ্যাভ এ প্লানার হিসেবে যেভাবে সফল হলেন তাতে আমার বিচারে ডিপ্লোম্যাটিক তথা কূটনৈতিকতায় তারেক রহমান ২৫ এর মধ্যে ২৪ মার্ক পেয়েছেন।
…..
একটি রাষ্ট্র সঠিকভাবে বিন্যস্ত এবং সঠিকভাবে পরিচালিত হতে যে ব্যুরোক্রেটিক তথা আমলাতান্ত্রিকতার দরকার সেই সুযোগ্য আমলাতান্ত্রিকতার জ্ঞান অনেকাংশেই পিছিয়ে রয়েছেন।
কেননা এরশাদ সাহেবের আমলে যে আমলা তন্ত্র তথা ৮২ ও ৮২ স্পেশাল ব্যাচ প্রতিষ্ঠা হয় তার কবলে জনাব তারেক রহমান পড়েছেন।
ইতিহাসের সবচাইতে ধূর্ততার আমলাতান্ত্রিকতার ইতিহাস রেকর্ড করেছে ৮২ ও ৮২ স্পেশাল ব্যাচ।
আর এই ধুর্তামীর কবলে এবার একজন তারেক রহমানকে আষ্টেপৃষ্ঠে ঘিরে রাখা হয়েছে।
উদাহরণস্বরূপ বর্তমান আমলাতন্ত্রের ৮২ ও ৮২ স্পেশাল ব্যাচ যে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাদের নানাবিধ দিক রয়েছে।
যেমন মুখ্য সচিব সিরাজ উদ্দিন ও মন্ত্রিপরিষদ সচিব ডক্টর শেখ আব্দুর রশিদ জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের আমির ডা: শফিকুর রহমানের প্রিয় বন্ধু হিসেবে পরিচিতি আছে।
আবার একই ব্যাচের অফিসার এ বি এম আব্দুস সাত্তার যিনি জনাব তারেক রহমানের একান্ত সচিব হয়েছেন তিনি মুখ্য সচিব ও মন্ত্রী পরিষদ সচিবের ব্যাচমেট বা প্রিয় বন্ধু হিসেবে তিনি কাকে সাপোর্ট করবেন?
ব্যাচের প্রিয় বন্ধু অফিসারদেরকে নাকি জনাব তারেক রহমানকে?
তাহলে এক ৮২ ব্যাচের পদপিষ্টে বিএনপি ও জামাতের নেতৃত্ব পরিচালিত হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মুখে আলোচনায় আছে যে ৮২ ব্যাচের অফিসারগণ অত্যন্ত ব্যাচ প্রিয় অফিসার অর্থাৎ নিজেদের ব্যাচের অফিসার কে তারা অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে ব্যাচ ইজম পালন করে থাকেন।
অর্থাৎ এরশাদ আমলের জন্ম নেয়া শিশু এখন বিএনপি ও জামায়াতকে কোলে তুলে নাচাচ্ছে বা বিএনপি ও জামায়াতকে নেতৃত্ব দিচ্ছে।
এরশাদ আমলের গড়ে ওঠা, বেড়ে ওঠা ব্যুরোক্রেটিক নেতৃত্বের কবলে যাওয়াটাই প্রমাণ করে জনাব তারেক রহমানের ব্যুরোক্রেটিক জ্ঞানের কমতি।
সেক্ষেত্রে তাকে ২৫ মার্কের মধ্যে ২০ মার্ক দেয়া যেতে পারে।
যদি তারেক রহমান খোজ নিতেন যে ডাক্তার শফিকুর রহমানের বন্ধু ব্যাচের অফিসার তার একান্ত সচিব হওয়ার জন্য উপযুক্ত নয় তাহলে তিনি বিজ্ঞতার প্রমাণ দিতেন এবং অন্য ব্যাচের অফিসার কে নিজের একান্ত সচিব হিসেবে নিয়োগ দিতেন।
আর তখনই তিনি ২৫ মার্কের মধ্যে ২৪ পেতেন।
……
আওয়ামী ফ্যাসিজম পরিবর্তন ঘটাতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও মতের এমনকি ওয়ান ম্যান ওয়ান পার্টির ব্যক্তিবর্গকেও আন্দোলনে টানার যে গুরু দায়িত্ব জনাব তারেক রহমান পালন করে সফল হয়েছেন তাতে তিনি ডেমোক্রেটিক কোয়ালিটিতে ২৫ মার্কের মধ্যে ২৪ পেয়েছেন।
…..
আন্তর্জাতিক পরাশক্তির বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা যেমন
যুক্তরাষ্ট্রের CIA, যুক্তরাজ্যের MI6, পাকিস্তানের ISI, রাশিয়ার FSB, এবং চীনের MSS, যাদের প্রত্যেকের নানাবিদ দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতা গ্রহণপূর্বক আওয়ামী লীগের দুর্নীতি দু: শাসন ও ফ্যাসিজমকে উপস্থাপন করে এই সকল গোয়েন্দা সংস্থার সহযোগিতা নিয়ে আওয়ামীবাদ কে মূলৎপাটন করে সফল হয়েছেন সে ক্ষেত্রে তিনি ইন্টেলিজেন্স জ্ঞানে ২৫ এর মধ্যে ২৪ পেয়েছেন।
…
তারেক রহমান প্রবাসে বসে ডিজিটাল গণমাধ্যম ব্যবহার করে বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে সম্পর্ক রক্ষা করে যেভাবে আন্দোলনের জন্য সুপরিবেশ তৈরি করতে গণমাধ্যমকে কাজে লাগাতে পেরেছেন এবং নিজের একটি ফেস ভ্যালু গঠন করে নিজের নেতৃত্ব সুবিন্যস্ত করতে পেরেছেন সেক্ষেত্রে তিনি অনন্য ক্রেডিটের দাবিদার।
তবে প্রেসসচিব হিসেবে নিয়োগ দানের ক্ষেত্রে যে ধরনের সক্ষম গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বের প্রয়োজন ছিল তা নির্ধারণ করার সঠিক মেধা প্রয়োগ না করার কারণে তিনি যে মানের ব্যক্তিত্ব তার উপযোগী নলেজেবল প্রেস সচিব করার ক্ষেত্রে সুপ্রমান দিতে অনেকাংশেই ব্যর্থ হয়েছেন।
ফেস ভ্যালু হীন নন স্কিলড সাংবাদিকদের সংগঠন করার যোগ্যতার বিচারে যাকে প্রেস সচিব করা হয়েছে তাতে জনাব তারেক রহমানের মিডিয়ার নেতৃত্বের বিচারে অনেকাংশেই কমতি হিসাবে প্রমাণিত হয়েছে।
গণমাধ্যম নলেজেবল হিসেবে জনাব তারেক রহমানকে ২৫ মার্কের মধ্যে ২২ দেয়া যেতে পারে।
….
সুপ্রিয় পাঠক এটি একটি গবেষণালব্ধ আর্টিকেলস মাত্র। কেউ সিরিয়াস হবেন না।
আবার কথাগুলিতে সিরিয়াস না হয়েও পারবেন না।
আপনার মূল্যবান মন্তব্য প্রত্যাশা করছি।